চোখের সমস্যা সমাধানে রয়েছে কুরআন হাদিসের অনেক আমল। তা থেকে কিছু তুলে ধরা হলো-> اَللَّهُمَّ اِنِّى اَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِىْ وَ شَرِّ بَصَرِىْ وَ شَرِّ لِسَانِىْ وَ شَرِّ قَلْبِىْ وَ شَرِّ مَنِيِّىْ উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন শাররি সাময়ি ওয়া শাররি বাসারি ওয়া সাররি লিসানি ওয়া সাররি ক্বালবি ওয়অ সাররি মানিয়্যি। অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আমার কানের অপকারিতা, চোখের অপকারিতা, জবানের অপকারিতা, অন্তরের অপকারিতা এবং বীর্জের অপকারিতা থেকে আশ্রয় চাই। (মিশকাত, আবু দাউদ) যাদের চোখে সমস্যা বা অসুস্থতা রয়েছে তারা শুধু এভাবে বলবে- اَللَّهُمَّ اِنِّى اَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّ بَصَرِىْ উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন শাররি বাসারি। অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আমার চোখের অপকারিতা থেকে আশ্রয় চাই #চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখার জন্য ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি নিয়মিত ৪টি কাজ করতে বলেছেন। আর তাহলো- - সব সময় কেবলামুখী হয়ে বসার চেষ্টা করা; - নিয়মিত ঘুমাতে যাওয়ার সময় উভয় চোখে সুরমা লাগানো; - সবুজ গাছ-গাছালি তথা সবুজ জিনিসের দিকে বেশি বেশি দৃষ্টি দেয়া; - পোশাক-পরিচ্ছদ পরিচ্ছন্ন রাখা। > যদি কোনো ব্যক্তি চোখের ব্যাথা কিংবা চোখের সমস্যা নিপতিত হয়, তবে এ আয়াতটি ৩ বার পড়ে উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গৃলের নখে ফুঁ দিয়ে উভয় চোখের ওপর মাসেহ করে নেয়। فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَاءَكَ فَبَصَرُكَ الْيَوْمَ حَدِيدٌ উচ্চারণ : ফাকাশাফনা আংকা গিত্বাআকা ফাবাসারুকাল ইয়াওমা হাদিদ। (সুরা ক্বাফ : আয়াত ২২) অর্থ : তোমার সামনে থেকে পর্দা উন্মোচন করেছি; অতএব আজ তোমার দৃষ্টি প্রখর। ....❤️.................#ডাক্তারি পরামর্শ..................❤️..... চোখের একেবারে বাইরের স্বচ্ছ অংশটির ডাক্তারি নাম ‘কনজাংকটিভা’। ভাইরাসের সংক্রমণে সেখানে তৈরি হয় প্রদাহ, ফুলে যায় চোখের ছোট ছোট রক্তনালি। ফুলে থাকা রক্তনালিগুলোর কারণেই চোখের রং লালচে হয়ে যায়, যেটাকে আমরা চোখ ওঠা বা ‘কনজাংকটিভাইটিস’ বলে থাকি। লক্ষণ ► চোখ লাল হয়ে থাকা, জ্বলা। ► চুলকানি, খচখচে ভাব থাকা চোখে। ► চোখ থেকে পানি পড়া। ► আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসতে চাওয়া। ► চোখে বারবার সাদা ময়লা আসা। ► কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীক্ষ্ন ব্যথা থাকতে পারে। করণীয় ► চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ। বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি ছড়ায় বারবার হাত চোখে দিলে। হাত ধুতে হবে সাবান দিয়ে। ► চোখের পানি সাবধানে টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে। ব্যবহার করা সেই টিস্যু সাবধানে ফেলতে হবে। যাতে করে রোগ না ছড়ায়। ► চোখ ঘষা বা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ► চিকিৎসকের পরামর্শে আই ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। ► বাইরে গেলে রোদচশমা ব্যবহার করতে হবে। ► নিজের প্রসাধনসামগ্রী অন্যদের ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। ► আই ড্রপ অন্যের সঙ্গে শেয়ার করবেন না। ► এক চোখে সমস্যা দেখা দিলে অন্য চোখকে সংক্রমণ থেকে নিরাপদে রাখতে হবে। ► সমস্যা এক সপ্তাহের মধ্যে না সারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Comments
Post a Comment