মানুষের শরীরে যত ধরণের ইনফেকশান হতে পারে তার মধ্যে অন্যতম ভয়ঙ্কর একটি ইনফেকশান হচ্ছে ইনফেক্টিভ এন্ডোকার্ডাইটিস। মানুষের হৃদপিণ্ডের ৩টি স্তর থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভেতরের স্তরে যখন জীবাণুর সংক্রমণ হয় তখন সে অবস্থাকে ইনফেক্টিভ এন্ডোকার্ডাইটিস বলে।
** কোন কোন জীবাণু প্রধানত এর পেছনে দায়ী? ৮০-৯০% ক্ষেত্রে স্ট্রেপটোকক্কাস এবং স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস নামক ব্যাকটেরিয়াদ্বয় দায়ী। ** কারণসমূহঃ ১. আগে থেকেই হৃদপিণ্ডের ভালভ-এর কোন রোগ থাকলে ২. হৃদপিণ্ডে কৃত্রিম ভালভ বসানোর কোন অপারেশন হয়ে থাকলে ৩. অনেকদিন ধরে শিরায় ক্যানুলা করা থাকলে ৪. শিরাপথে সুঁই এর মাধ্যমে নেশা দ্রব্য ব্যবহার করলে ৫. দাঁতের কোন রোগ থাকলে ৬. পরিপাকতন্ত্রের ক্যান্সার থাকলে ** কী কী উপসর্গ থাকে? ১. দীর্ঘদিন ধরে একটানা কাঁপুনিসহ জ্বর, রাতের বেলায় ঘাম হয়। ২. ক্ষুধামন্দা ৩. শরীরের ওজন কমে যাওয়া ৪. গা ম্যাজম্যাজ করা ৫. মাথাব্যথা ৬. মাংসপেশিতে ব্যথা ৭. শ্বাসকষ্ট ৮. কাশি। ** কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়? ১. কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট ২. সি আর পি ৩. ব্লাড কালচার ৪. ইকোকার্ডিওগ্রাফি ৫. প্রস্রাবের রুটিন ও মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা ৬. ইমিউন এসে। ** কীভাবে চিকিৎসা করা হয়? - প্রথমেই রোগী বা রোগীর মা-বাবাকে রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়, এর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, সম্ভাব্য জটিলতা সম্পর্কে জানানো হয়, এ রোগের আরোগ্য সম্ভাবনার কথাও বলা হয়। - শিরাপথে অ্যান্টি-বায়োটিক দেওয়া হয়। ** কতোদিন চিকিৎসা চালাতে হয়? অন্ততপক্ষে ৪ সপ্তাহ অথবা জ্বর ছাড়া ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত। ** এ রোগ প্রতিরোধ করা যায় কি? - যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। -----------collected
Comments
Post a Comment