আল্লাহ সুবানাহু তা'য়ালা যাকে অপছন্দ করেন তাঁকেও অঢেল সম্পদ দান করেন । আর যাকে পছন্দ করেন তাঁকে দান করেন হিকমাহ ,
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ, প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, খেতে পারছেন না, আর যাকে হিকামহ দান করা হয়েছে সে ঠিকই শুধু আলু ভর্তা আর ডাল দিয়ে মনভরে খেতে পারছে। জাগতিক দৌরে পিছিয়ে থাকা মানে আপনি সত্যিকারের পিছিয়ে নন, আপনার সকাল হয় আপনার রব কে ভুলে, দুপুর বিকেল রাত একটিবার আপনি সেজদাবনত হন না, সেই কবে কুরআন পরেছিলেন মনে নেই , কোথায় ছিলাম, কোথায় যাব, কেন এসেছি এই পৃথিবীতে ? অনুভূতিটুকুও মোরে গেছে.....****************************************************************
১. সন্তানের যখন, যেখানে আপনাকে প্রয়োজন উপস্থিত থাকার চেষ্টা করুন। অন্তত তার কথা শুনুন, সাহস দিন।
২. মা-বাবার প্রতি সন্তানের বিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সন্তানকে দেয়া কথা রাখার চেষ্টা করুন।
৩. সন্তানদের নিঃশর্ত ভালবাসা দিন। তাদের বোঝান, যত কিছুই হোক আপনি তাদের সাথে আছেন।
৪. নিজস্ব মতামত তাদের উপর চাপিয়ে না দিয়ে তাদের বুঝিয়ে বলুন, তাদের মতামত ও যুক্তি শুনুন।
৫. সন্তানের বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্যারেন্টিং স্টাইলেও পরিবর্তন আনুন। সেই ছোট্টবেলার মতো ব্যবহার সন্তানের বড় হলে ভালো নাও লাগতে পারে।
৬. শত ব্যস্ততার মাঝেও সন্তানকে অন্তত প্রতিদিন কিছু সময় দিন। চেষ্টা করুন প্রত্যেক সন্তানকে আলাদা সময় দিতে।
৭. সন্তানের সব ভুল জোর করে আটকাতে যাবেন না। কখনো কখনো তাকে নিজের ভুল থেকে শিখতে দিন।
৮. সন্তানের প্রতি এমন শব্দচয়ন পরিহার করুন যাতে তার মনোবল কমে যায়।
৯. নিজে ভুল করলে ক্ষমা চান, এতে তারাও ক্ষমা চাওয়া শিখবে।
১০. আপনার জীবনের সমস্যা ও সমাধানের গল্পগুলো তাদের সাথে শেয়ার করুন।
Comments
Post a Comment