প্রতিদিন আল্লাহর দরবারে কাঁদবেন, সারাদিনে সুযোগ না পেলে রাতে ঘুমাবার সময় হলেও কাঁদবেন।আল্লাহর কাছে কেঁদেকেটে নিজের সমস্ত দুঃখকষ্টের কথাগুলো বলবেন, অভিযোগ অভিমানগুলো প্রকাশ করবেন। গুনাহের কথা, পরকালের কথা ভেবে কাঁদবেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন, আল্লাহর কাছে মহাপুরষ্কারের জন্যে দুয়া করবেন। আল্লাহর নিকট কান্না করা অতি উত্তম একটি আমল। এছাড়াও কাঁদলে মন শান্ত হয়, অস্থিরতা কমে, ভালো কাজ করার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন, হাশরের মাঠে যখন অন্য কোন ছায়া থাকবে না, তখন আল্লাহ তা'য়ালা তাদেরকে ছায়া দিবেন যারা আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে এবং ওই ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না যে আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে। (সহীহ বুখারী:১৪২৩, ৬৪৭৯; তিরমিজি:১৬৩৯, ১৬৪৫) ঐ ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না যে আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে। মূলত আল্লাহর ভয়ে কাঁদা বলতে আল্লাহর বিধি-বিধান যথাযথ পালন করা এবং তাঁর নাফরমানী থেকে বিরত থাকা উদ্দেশ্য। আর প্রকৃতপক্ষে যে এরূপ করে সেই আল্লাহর ভয়ে কাঁদে। (তুহফাতুল আহওয়াযী ৫ম খন্ড, হাঃ ১৬৩৩) দিনে রাতে যেকোন সময় আল্লাহর দরবারে কাঁদা যায়, কিছু উত্তম সময় হলো: প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাত শেষে, কুরআন তিলাওয়াত করার সময় এবং শেষে, শেষ রাতে, বৃষ্টির সময়, আযান শেষে দুয়া করার সময়। আল্লাহ সবই জানেন, তবুও আবেগের সাথে ভালবাসা দিয়ে বলবেন। বান্দা কাঁদলে, আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে, আল্লাহ তা'য়ালা তাতে সাড়া দেন, আল্লাহ তা'য়ালা খুশি হন। মহান আল্লাহ বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। (সূরা মুমিন:৬০)


Comments
Post a Comment