দুজন ফেরেস্তার দেখা হল, আঁকাশ থেকে পৃথিবিতে নামার সময়| দুজনই খুব দ্রুত পৃথিবিতে অবতরণ করছিল,
১ম ফেরেস্তা ২য় ফেরেস্তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি এত দ্রুত কোথায় যাচ্ছ? জবাবে ২য় ফেরেস্তা বললেন,এক ব্যাক্তি মৃত্যু শয্যায় শায়িত,তার খুব ইচ্ছা জয়তুনের তেল খাবে| আমার উপর নির্দেশ হয়েছে,আমি যেন ঐ ব্যাক্তি জয়তুনের তেল মুখে দেবার আগেই ফেলে দেই| কেননা লোকটি ছিল ঈমানদার,এই সামান্য আঁশাটি পূরণ না করে আল্লাহ তাকে জান্নাত দিতে চান| এবার ২য় ফেরেস্তা, ১ম ফেরেস্তাকে বললেন,আপনিও এত দ্রুত কোথায় যাচ্ছেন? ১ম ফেরেস্তা জবাবে বললেন, এক ব্যাক্তি মরণের বিছানায় শায়িত,আমার উপর নির্দেশ হয়েছে,ঐ ব্যাক্তিটির শেষ ইচ্ছা রুই মাছ খাওয়ার,আমি যেন তার আত্নীয় হয়ে উনাকে রুইমাছ খাওয়াই। কেননা, ঐ ব্যাক্তি বেঈমানতথা শিরককারী, ঐ ব্যাক্তিটির এই ইচ্ছা পূরণ হলে, তার দুনিয়ার সব চাওয়াই পূরণ হবে| আর এর মাধ্যমে আল্লাহতাকে চিরতরে জাহান্নামী করতে চান > সুতরাং কখনও যদি আমাদের কোন চাওয়া পাওয়া পূরণ না হয়,তার জন্য আমরা যেন নিরাশনা হই| কোন চাওয়া পূরণ না হলেও,এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালাআমাদের জন্য উত্তমপ্রতিদান রেখেছেন|"
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment