কাউকে মানসিক কষ্ট দিচ্ছেন? খুব যত্ন করে দিন যাতে কেউ টের না পায়! তবে নিজেকেও একটু তৈরী রাখবেন ভবিষ্যতের জন্য। যে কষ্টগুলো কাউকে দিচ্ছেন, হয়তো দুনিয়াতেই তার পুরোটা না হলেও মিনিমাম এক তৃতীয়াংশ ভোগ করে যেতে হবে যে আপনাকেও, আল্লাহু আলাম! গোলাকার এই পৃথিবীতে আপনার দেওয়া কষ্টগুলো ঘুরেফিরে কিন্তু আপনার কাছেই একদিন না একদিন ফেরত আসবে! মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ.. সামনে এগোতে গেলে শেকলের মত পা জড়িয়ে টেনে ধরে। ভাল থাকুক চারপাশের মানুষগুলো। ভালোবাসার, ঘৃণার, কাছের, দূরের সবাই ভাল থাকুক। অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে, যেটা আমাদের বিশ্বাস করতেই হবে। আল্লাহ কিছুই ভুলে যান না! সময়ের ব্যবধান মাত্র। কেউ নিজে দোষ করে উল্টো আপনাকে অপবাদ দিয়েছে, নিজের দূর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে আপনার অর্জন কে ছোট দেখালো, সত্য গোপন করে আপনাকে বিপদে ফেললো, বাজে কথা বলে আপনার পথ চলাকে অবরুদ্ধ করলো। অন্যায় ভাবে আপনাকে ঠকাচ্ছে, কথার বাণে নিজের স্বার্থে আপনাকে করেছে ক্ষত-বিক্ষত! করুক না! জরুরী না যে সবগুলোর উত্তর আপনাকে এখনই দিতে হবে! কিছু উত্তর সময়ের উপর ছেড়ে দিন না! দেখেনই না আল্লাহ কি করেন... সবসময় হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারিনা, সঠিক কোন কাজের শাস্তি পাচ্ছি৷ কাউকে কষ্ট দিয়ে, অপমান করে, কাউকে কাঁদিয়ে, কাউকে কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা, কিন্তু আল্লাহ ভুলে না, আল্লাহ ঠিকই হিসাব নিবেন। প্রত্যেকটা মানুষ তার খারাপ কাজের শাস্তি কিছুটা হলে ও দুনিয়াতে ভোগ করে! ক'দিন আগে কিংবা ক'দিন পরে! কিন্তু শাস্তি সে পাবেই – এটাই নিয়ম। এমনকি এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে ইচ্ছাকৃত অন্যায় করে নিজেকে জয়ী ভেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন- সে হয়তো প্রতিবাদ করবেনা, কিন্তু তার নীরবতা, কষ্ট থেকে আসা 'দীর্ঘশ্বাস ' আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নেবে, কারণ উপর ওয়ালা কাউকে ঠকান না, তিনি কারোর একার নন। তিনি আমাদের সবার...❣️
collected
Comments
Post a Comment