Skip to main content

আত্মহত্যা

 ১. আত্মহত্যা বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। কাদের আত্মহত্যা করার ঝুঁকি বেশি, কখন চিকিৎসা নিতে হবে এবং রেড সাইন সম্পর্কে জানতে হবে।

২. আত্মহত্যার কথা বলা বা চেষ্টা করা কোন ছেলেখেলা নয়! অবশ্যই নিজের মাঝে এই প্রবনতা দেখা দিলে, সাহায্য নিতে হবে। ৩. বিশ্বাসযোগ্য, নির্ভরযোগ্য ও উত্তম পরামর্শদাতার সাথে মনের কথা বলতে হবে। প্রয়োজনে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে। ৪. শুনুন, শুনুন এবং শুনুন! অন্যের মনের কষ্ট কমাতে একজন ভাল শ্রোতার কোন বিকল্প নেই। ৫. স্পর্শকাতর বিষয়ে কখনোই ঠাট্টা করা উচিত নয়। এবং কেউ বাঁচতে চায় না, এটি নিঃসন্দেহে একটি সেনসিটিভ বিষয়! ৬. কাছের কারো মাঝে আত্মহত্যা প্রবণতা লক্ষ্য করলে অবশ্যই সাহায্য নিতে উৎসাহিত করুন। প্রয়োজনে পরিবারকে জানান। ৭. আত্মহত্যার কথা চিন্তা করা বা চেষ্টা করার মানেই সবসময় সে মরতে চায় না, হয়তো সে সাহায্য চায়! আসুন, তাদের বুঝতে চেষ্টা করি! ৮. এদের প্রতি নন-জাজমেন্টাল থাকার চেষ্টা করুন। ৯. উচ্চ ঝুঁকির আত্মহত্যা প্রবণতা সম্পন্ন ব্যক্তিকে একা রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে। ১০. সমাজে নীতিবোধ ও মূল্যবোধের শিক্ষা, আত্মহত্যা কমাতে সাহায্য করবে।

**********************************************************************************************
খুব অহরহই ভাইরাল হেপাটাইটিস রোগটি পাওয়া যায়, একে সাধারণ মানুষ 'জণ্ডিস' বলে থাকে। ◼️ কীভাবে হয় এ রোগ? হেপাটাইটিস - এ, বি, সি, ডি, ই এবং জি ভাইরাস এ রোগটি করে থাকে। ◼️ কী কী উপসর্গ থাকে? ১. গা ম্যাজম্যাজ করা ২. খাবারে অরুচি ৩. বমিভাব ৪. বমি ৫. জ্বর ৬. মাথাব্যথা ৭. মাংসপেশিতে ব্যথা ৮. গিরায় ব্যথা ৯. চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া ১০. পেটের উপরিভাগে ব্যথা ১১. পায়খানার রঙ সাদাটে হয়ে যাওয়া ১২. প্রস্রাব গাঢ় হলুদ হয়ে যাওয়া ১৩. পেটের ভেতরে লিভার বড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। ◼️ কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়? ১. লিভার ফাংশান টেস্টসঃ - সেরাম বিলিরুবিন - এস জি পি টি - প্রোথ্রম্বিন টাইম - এলকালাইন ফসফেটেজ ২. ভাইরাল মার্কার্সঃ - Anti-HAV IgM - HBsAg - Anti-HCV - Anti-HEV IgM ◼️ চিকিৎসাঃ - প্রথমেই রোগী বা রোগীর মা-বাবাকে রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়, এর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, সম্ভাব্য জটিলতা সম্পর্কে জানানো হয়, এ রোগের আরোগ্যসম্ভাবনার কথাও বলা হয়। - এর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। রোগটি নিজে নিজেই সেরে যায়। - তবে রোগীকে বেড রেস্টে থাকতে বলা হয়। বাইরের কাজকর্ম যথাসম্ভব সীমিত করে ফেলতে হবে। তার মানে এই না যে রোগীকে জোর করে দীর্ঘদিন বেড রেস্টে রাখতে হবে। - খাবারদাবার স্বাভাবিক থাকবে। বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো। - যদি কোনো রোগী বারবার বমি করতে থাকে অথবা মুখে খেতে না পারে, তখন শিরাপথে স্যালাইন দিতে হয়। - যদি প্রথ্রোম্বিন টাইম বেশি থাকে তাহলে ভিটামিন-কে দেওয়া হয়।

collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...