পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পেইনফুল সিচুয়েশনগুলো নবী রাসুলদের উপর দিয়ে গিয়েছে। তাদের মত মেন্টাল ও ফিজিক্যাল ট্রমাটিক কন্ডিশানে আমাদের কারোরই পরতে হয় নাই আর হবেও না। একটা শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয় পিতা-মাতার পরশ, আদর ছাড়াই বড় হওয়া। রাসূল(স.) এভাবেই শৈশব পার করেছেন। পরিবারের মধ্যে বাবা-মায়ের বড় সবচেয়ে কে আপন?ভাই-বোনেরা। তারাই তো ছাতার মত আপনাকে আগলে রাখবে।কিন্তু তারাই যদি আপনাকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয় তাহলে সেই স্মৃতি আপনার জন্য কেমন ট্রমাটিক হবে!!!ইউসুফ(আ.) এরকম স্মৃতি নিয়েই বড় হয়েছিলেন। ধরুন, আপনার একটা সুন্দর পরিবার আছে। সংসার, আত্নীয়স্বজন, সন্তানদের নিয়েই ভালোই কাটছিলো। হুট করে বিপদ আসলো, শুরুতে আপনার ধনসম্পদ হারালেন, এরপর সংসার-সন্তানাদি, এরপর আপনার শরীরে বাসা বাধলো অসহীয় পচন রোগ। আপনার পরিবার আপনাকে দূরে ঠেলে দিলো। এ অবস্থায় আপনার কেমন লাগবে? এ নিঃস্বতা কিভাবে ওভারকাম করবেন? কিন্তু আইয়্যুব(আ.) এর কৃতজ্ঞ চিত্তেই এ জীবন পাড়ি দিয়েছেন। প্রফেট ও তাদের সাহাবীদের উপর দিয়ে এমন অবর্ননীয় কষ্টের অবস্থা গিয়েছে তার সিকিভাগও যদি আমাদের অল্পেতে ডিপ্রেসড সোসাইটির উপর দিয়ে যেতো হয়তো আত্নহত্যাই সবচেয়ে বড় মহামারী হতো। আপনার উপর যত্ত পেইনফুল সিচুয়েশনই আসুক না কেনো,তা একটা রুলস ফলো করে আসবে। সেটা হলো, যে দুঃখ-কষ্ট আপনার সহ্যসীমার মধ্যে সেটাই আপনার জীবনে আসবে। আপনার সহ্যসীমার বাইরের পেইন আপনাকে দেয়া হবে না।সো, যে কোনো সিচুয়েশনে এইটা নিজেকে রিমাইন্ডার দিবেন। "নিশ্চয়ই আপনার রব,কাউকে সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু চাপিয়ে দেন না" ইবনে আরাবী একটা সুন্দর কথা বলেছিলেন "If pain wasn’t biggest blessing,Why would Allah subhana ta'la give it to his beloved prophet(saw)"❣️
Comments
Post a Comment