এটি একটি অতি পরিচিত সমস্যা। তবে সামান্য নাকবন্ধ অবস্থায় নাকের মধ্যে মাংসপিণ্ডের মতো কিছু একটা দেখলেই সেটিকে নাকের পলিপ বলে মনে করা ভুল। সাধারণত পলিপ দেখতে অনেকটা পরিপক্ব আঙুর ফলের মতো। বলা চলে নাকের পলিপ নাক এবং সাইনাসের (বায়ুভর্তি কুঠুরির) মধ্যস্থিত স্ফীতাকার পিণ্ড বিশেষ।
◼️ এটি সাধারণত ২ ধরনের হয়ে থাকে। ১. ইথময়েডাল পলিপ ২. এণ্ট্রোকোয়ানাল পলিপ -- ইথময়েডাল পলিপ: ◼️ কারণ: ১. এলার্জিজনিত কিংবা এলার্জি ভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি নাক ও সাইনাসের প্রদাহ। ২. হাঁপানি। হাঁপানিতে আক্রান্ত শতকরা ৭ ভাগ রোগীর নাকের পলিপ হতে দেখা গেছে। ৩. এসপিরিন অসহিষ্ণুতা। ৪. সিস্টিক ফাইব্রোসিস (ফুসফুসের এক ধরনের রোগ)। ৫. নাকে ছত্রাকজনিত সাইনাসের প্রদাহ, ইত্যাদি। ◼️ কী উপসর্গ থাকে? ১. নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘ্রাণশক্তি লোপ পায়। মাথাব্যথা থাকে। ২. নাক দিয়ে পানি ঝরা। ৩. নাক চুলকানো। ডাক্তার যন্ত্র দিয়ে নাক পরীক্ষা করে দেখেন। সাধারণত ল্যাবরেটরি পরীক্ষার তেমন প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজনে সাইনাসের এক্স-রে এবং সিটি স্ক্যান করা যেতে পারে। ◼️ চিকিৎসা: বিনা অপারেশানে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব হয় না। তবে এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ সেবন এবং স্টেরয়েড জাতীয় স্প্রে নাকে ব্যবহারের মাধ্যমে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। আধুনিক পদ্ধতির ফাংশনাল এণ্ডোস্কোপিক সাইনাস সার্জারি (FESS)-এর মাধ্যমে নিরাময়ের হার খুব ভালো। -- এণ্ট্রোকোয়ানাল পলিপ: এ ধরনের পলিপ এর উত্থান ঘটে ম্যাক্সিলারি সাইনাসের অভ্যন্তরে বাইরের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী মুখের আশেপাশে। এই পলিপ হবার সঠিক কারণ জানা যায়নি। ◼️ কীভাবে বোঝা যাবে? ১. প্রথম দিকে নাকের এক দিক বন্ধ থাকে। ২. নাক বন্ধ থাকার জন্যে গলার স্বর পরিবর্তিত হয়ে নাকিসুরে কথা তৈরি হয়। ৩. নাক বন্ধ থাকার জন্যে নাক দিয়ে সবমসময়ই কিছু শ্লেষ্মা ঝরে। এক্সরে এবং সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে পলিপের অবস্থান ও ব্যাপকতা বোঝা যায়। ◼️ চিকিৎসা: ওষুধ দিয়ে এ ধরনের পলিপের কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অপারেশানই হচ্ছে কার্যকর চিকিৎসা। এক্ষেত্রেও FESS অপারেশানটি বেশ প্রচলিত। -----------collected
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment