আমাদের হৃদয়গুলো সব আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। তাই, কারও হৃদয়ের পরিবর্তন চাইলে শুধু সেই ব্যক্তির পেছনে না ছুটে আল্লাহর কাছে তার জন্য দু‘আ করে যান। তিনি যদি তার হৃদয়টাকে বদলে দেন, তাহলে সবই ঠিকঠাক হয়ে যাবে। . উল্লেখ্য, এখানে নারী-পুরুষের বিবাহবহির্ভূত হারাম প্রেম-ভালোবাসা উদ্দেশ্য নয়। এর বাইরেও অনেক কিছু থাকে মানুষের জীবনে। . কখনও এমন হতে পারে, ভুল বোঝাবুঝির ফলে অথবা অকারণে পরিচিত কেউ অচেনা মানুষের মত আচরণ করা শুরু করেছে বা কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে কিংবা খুব বাজেভাবে উপেক্ষা (ignore) করছে। এমতাবস্থায় সম্পর্কটা স্বাভাবিক করার জন্য চেষ্টার পাশাপাশি আল্লাহকে বলুন, তিনি যেন এই লোকের অন্তরটা কোমল করে দেন। . অনেক সময় যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়াই কেউ আপনার উপর প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে আপনার ক্ষতি করা শুরু করতে পারে বা বিভিন্নভাবে আপনাকে হয়রানি করতে পারে। এমতাবস্থায় আল্লাহর স্মরণাপন্ন হোন, যাতে তিনি ওই ব্যক্তির মন থেকে আপনার প্রতি থাকা ক্রোধ মুছে দেন। . আপনার আপনজন ইসলাম থেকে দূরে। তাকে দ্বিনের পথে আনার জন্য দু‘আ করুন। . আপনার কাছে এসব ব্যাপার ফেইস করা কঠিন মনে হলেও আল্লাহর কাছে সবই সহজ; তাঁর অভিধানে ‘কঠিন’ বলতে কিছু নেই। তিনি যা চান, তাই হয়। . হাদিসে এসেছে—মানুষের অন্তর আল্লাহর দুই আঙুলের মাঝে। তিনিই সেটিকে এদিক-ওদিক করেন। [আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৬/৩০২; হাদিসটি সহিহ]
**********************************************************************
.
মাঝে মাঝে কিছু ব্যাপার ইগ্নোর করতে হয়, কিছু ব্যাপার ছেড়ে দিতে হয়,কিছু কষ্ট ভুলে যেতে হয়, কিছু দুঃখ চোখ বুজে সহ্য করে যেতে হয়, কিছু আঘাত দাঁতে দাঁত কামড়ে সবর করে যেতে হয়, কিছু অপমান হজম করতে হয়,কিছু সময় চুপ থাকতে হয়,কিছু অতীত ভুলে যেতে হয় — শুধুমাত্র এই আশায় যে একদিন আমাদের রব সব কিছুর প্রতিদান দিবেন। আর তিনি এত এত নিঁখুত আর পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে দিবেন যে আজকের ক্ষণিকের পাওয়া এই কষ্ট সেদিন আনন্দ অশ্রু হয়ে চোখ বেয়ে পড়বে বিইযনিল্লাহ্।
কারণ আমাদের রব হচ্ছেন সেই সত্তা যার বর্ণনা তিনি কুর'আনে দিয়েছেনঃ “আমার রব ভুল করেন না,ভুলে ও যান না। [সূরা;ত্বহাঃ৫২]source-md rehad sarker/youtube
Comments
Post a Comment