২০ বছর আম্রিকা শ|সন-নিপীড়ন চ|লাইলো, মানুষ ম|রল, লুটপ|ট করলো তখন দেখলাম না এভাবে দরদ দেখাতে... কিন্তু এখন যখন মুক্ত হল, শরিয়া শ|সনে দেশ চালানোর কথা আসলো... অম্নি দরদ উথলে পরলো!!
যাদের আফগ্নাদের জন্য দরদ উথলে পরছে, কেন দেশ ত্যাগ করতেছে! কেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিমানে উঠছে! তাদের যদি এখন বলা হয় ফ্রী তে ইউরোপ, আম্রিকা, ক্নাডা, অস্ট্রেলিয়া নিয়ে গিয়ে গ্রীন কার্ড ধরায় দিবে.... এরাও বিমানের চাক্কা, লেজ আর পাংকায় বেজে ফিরিংগি আব্বুদের দেশে পারি জমাবে ব্রো।
আর এরা তো এতদিন রাজাক্রাগিরি করেছে, দালালি করেছে আম্রিকার, শরিয়া শাসন ব্যবস্থা চায় নি তারা, চেয়েছিল সেক্যুলার একটি রাষ্ট্র। যেখানে অন্য দশটা দেশেরমত নিজের খেয়ালখুশি মত চলবে। কিন্তু তা হয়নি। তাই ফিরিংগি আব্বুদের দেশে চলে যাওয়াই তাদের কাছে ভালো। তারউপর আবার বাড়তি সুযোগ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে আব্বুরা। তাই এরা আফগান ছাড়তেছে জানপ্রাণ দিয়ে...
যারা নিজেদের মা-বোনদের আর বউকে খোলামেলা বেপর্দায় রাখতে অভ্যস্ত। মেয়েদের দেখে দেখে ক্রাশ খাওয়া, তাদের উপভোগ করা যাদের অভ্যাস। তারা মেয়েদেরকে পর্দার বিধান মানতে দেখলে দুঃখ পাওয়ারই কথা!!
অন্যদিকে যেসব আপুমনিরা নিজেদের খোলা বাজারের পণ্যের মতো করে খোলামেলা রাখতে ভালবাসে, নিজের খেয়াল খুশিমত পোশাক পরে, ইসলাম কি বলল সেটার ধার ধারে না। দিনরাত আল্লাহ ও তার রাসূল ﷺ এর ল|নত প্রাপ্ত হচ্ছে... সেই আপুমনিরা কি করে এটা সহ্য করবে যে সেখানের মেয়েরা পর্দা আর ইসলামিক অনুশাসন মেনে ইসলামে সম্মানিত হচ্ছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে ফেলতেছে.. এটা তো সহ্য করা যায় না, জ্বালা ত শুরু হবেই।
শয়তান মানুষকে দ্বীনের পথে আসতে দেখলে সে কি কখনো খুশি হয়। এরা তো শয়তানেরই চ্যালাপেলা, দিন-রাত শয়তানের অনুসরণ করে। পোশাকাশাক, চলেফেরা, জীবন-জীবিকায় নেই ইসলামের ছাপ। লাইফস্টাইলে নেই কোন সুন্নাহ এর প্রয়োজনীয়তা। তারা এই দ্বীনের অনুশাসন কিভাবে সহ্য করবে ব্রো!!
বাইদ্যাওয়ে, যারা ইসলাম ব্যাতিত অন্য কোন জীবনব্যবস্থাকে উত্তম মনে করে... তারা আর যাই হোক মুসলিম না। কারণ, ঈমান ভঙ্গের ১০টি কারণের একটি হল এটি। আল্লাহ্ (ﷻ) তা'লা বলেন,
❝আর যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দ্বীন গ্রহণ করতে চাইবে কক্ষনো তার সেই দ্বীন কবূল করা হবে না এবং আখেরাতে সে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।❞ [৩:৮৫]
BeLykHujur
Comments
Post a Comment