"কাউকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে যখন মূল্য পাচ্ছেন না, তখন গুরুত্ব দেয়াটা একটু কমিয়ে দিন... নিজেকে একটু সময় দিন, ব্যস্ত রাখুন... একটু নড়েচড়ে বসুন !! . আপনার দেয়া গুরুত্বটা যখন কারোর উপর খুব বেশি হয়ে যায়, তখন অপর মানুষটা নিজেকে একটু অন্যরকম ভাববে, ভাব নিবে এটাই স্বাভাবিক... এতে তার কোনো দোষ নেই, বরং দোষটা শুধু আপনারই কারণ আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন !! প্রতিবারই যখন আপনার দিক থেকে বেশি গুরুত্ব পেয়ে যাচ্ছে তখন অপর মানুষটা আপনাকে নিয়ে ভাবতে সময় পাচ্ছে না... বারবার যখন আপনার ফোন পেয়েই সে কথা বলে যাচ্ছে তখন আপনাকে মিস করে ফোন দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না... আপনাকে নিয়ে ভাবতে পারছে না !! . অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না... অতিরিক্ত কোনো কিছু করার ফল সব সময়ই খারাপ হয়... আপনি খেয়াল করলে দেখবেন যাকে আপনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, সে সবার আগে আপনার কাছ থেকে হারিয়ে গিয়েছে... যে জিনিষটা বেশি যত্ন করেছেন, সেটাই সবার আগে নষ্ট হয়ে গিয়েছে !! . প্রতিটা সম্পর্কের মাঝে একটা ভারসাম্য থাকতে হয়... একজন খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে অপরজন দিচ্ছে না, তাহলে সেই সম্পর্ক একটা সময় দুজনের কাছেই বিরক্তিকর হয়ে যায়... একজন অতিরিক্ত গুরুত্ব পেতে পেতে বিরক্ত, আরেকজন অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে দিতে বিরক্ত... ব্যাপারটা ঠিক এমনই !! . তাই মাঝেমধ্যে নিজেকে সময় দিতে শিখুন... অপর মানুষটার মনের মধ্যে আপনার জন্য মায়া জাগতে দিন... তাকে সময় দিন আপনাকে বুঝার জন্য... দিনের অধিকাংশ সময়ই যদি অপর মানুষটাকে নিয়ে মেতে থাকেন, তাহলে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন না... অপর মানুষটাও আপনাকে সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবে না !!
--------------------------
বৃষ্টি থেমে গেলেই প্রয়োজনের ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷ ৷ কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয় । বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায় ।
পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না । জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর ।
একটু টাকা হলেই অথবা বিপদটা কেটে গেলেই পেছনের কারিগরদের ভুলে যায় ।
এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি । আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সেই একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা । হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দিচ্ছেন ।
সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর । আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী । ভিখারিকে ২টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে । বিনাস্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না ৷
এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি ।
রাগটাকে কমাই । অহংকারকে ডুবাই ।
যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান ।
আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান । কারণ সেটা যতদিন আপনি মনে রাখবেন ততদিন সেটা আপনাকে অহংকারী করে তুলবে ।
আবার কেউ যদি আপনার জন্য খুব ছোট কিছুও করে থাকে, তবে সেটা আজীবন মনে রাখবেন । কারণ এটা আপনাকে বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতা সম্পন্ন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে ।
------------------------------------------
কাউকে ব্লাডের জন্য কল দেওয়ার আগে কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখবেন।
১- ডোনারের যাতায়াত খরচ
২- যে বেলায় ব্লাড দিবে ঐ বেলার খাওয়ার খরচ
৩- ডাব, স্যালাইন পানি, কিছু ফলমূল কিনে দেওয়ার খরচ দেয়াটা কমনসেন্সের ব্যাপার এবং পরবর্তী ২৪ ঘন্টা ডোনারের খোঁজ খবর রাখবেন।
পারলে কোন এক সময় বাসায় দাওয়াত দিবেন। 💕
ব্লাড দেয়ার আগে অনেকে ডোনার কে বলে ব্লাড দেয়া একটা কমন বেপার এগুলো না বলা। 🥺
অনেকে ভালবাসা নিয়ে আসে ব্লাড দিতে, কিন্তু এগুলা শুনে মন খারাপ করে ফেলে। যারা ব্লাড দেয় তারা বেশিরভাগই স্টুডেন্ট, মেসে থেকে পড়াশুনা করে। তারা প্রতিনিয়ত ব্লাড দেয়। অনেক সময় দেখা যায় পরের দিন এক্সাম, তবুও ব্লাড দেয়।
আবার, যারা ব্লাড খুঁজে দেয় তারাই জানে ১ ব্যাগ ব্লাড খুঁজে বের করা কতটা কষ্টের। সময়, শ্রম দিয়ে ডোনারকে খুজে বের করতে হয়। অনেকেই তো সেগুলা জানেনই না। এগুলা হাইড স্টোরি থাকে।
কিন্তু রোগীর রিলেটিভদের ব্যবহার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিবেকহীনতার পরিচয় দেয়। কোনো খোজ খবরই নিতে চায়না যে চরম এই বিপদের সময় এই রক্ত কোথা থেকে এলো। একজনকে বলে দেয়, তারপর মনে হয় সব দায়ভার ঐ বেচারার। নিজের সম্মান রক্ষার জন্য হলেও ঐ বেচারা ডোনারকে কেয়ার করে। অনেক ডোনার জবও করেনা। হয়তো আত্মীয় স্বজন, না হয় পরিচিত, নতুবা মানবতার জন্য মানুষের বিপদে এগিয়ে যায়।
নামীদামী হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেন,একদিনে ৩/৪ হাজার টাকা করে কেবিন ভাড়া দিতে পারেন। কিন্তু যে মানুষটা তার সবথেকে মূল্যবান জিনিস দিয়ে আপনাকে হেল্প করছে,তার কদর করবেন না, তা হতে পারেনা।
যে দেশে ২৫০মিলি গ্রাম পানির বোতল কিনে খেতে হয়,সে দেশে বিনা টাকায় ৪৫০ মিলি
গ্রাম রক্ত দাতাকে সম্মান করা আপনার কর্তব্য।
( কপি )
---------------------
কাক হচ্ছে একমাত্র সেই পাখি যে ঈগলের ঘাড়ের উপর বসে ঠোকর মেরে তাকে বিরক্ত করতে পারে ! এত সাহস অন্য কোনো পাখির নেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ঈগল কিন্তু কাকের সাথে লড়াই করে বা তাকে মেরে ফেলতে যেয়ে নিজের সময় ও শক্তির অপচয় করে না। ঈগল যেটা করে সেটা হচ্ছে, সে দ্রুত গতিতে উপরে উঠতে থাকে। অতি উচ্চতায় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে এবং ঈগলের প্রচণ্ড গতির কারণে কাক দুর্বল হয়ে পড়ে এবং টিকতে না পেরে ঈগলের ঘাড় হতে দ্রুত খসে পড়ে।
👉ঠিক তেমনিভাবে, আপনার জীবন চলার পথে কাছের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব রূপী অনেক কাক আপনার পিছনে ঠোকর মেরে আপনার জীবনকে ব্যহত করবে। এদের সাথে লড়তে যেয়ে সময় এবং শ্রম অপচয় করার কোন দরকার নেই। আপনার চুড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কাজের গতি আর পরিশ্রম আরও বাড়িয়ে দিন। দেখবেন, আপনার গতির সাথে তাল মেলাতে না পেরে এইসব কাকেরা দুর্বল হয়ে এমনিতেই ঝড়ে পড়ে যাবে।পড়ে যায়!
--------------------------------------
হরিণ এক লাফে যায় ২৩ হাত আর বাঘ যায় এক লাফে ২২ হাত। তাহলে অঙ্কের হিসেবে বাঘ কখনও হরিণকে ধরার কথা নয়।
কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টোটা।
বাঘের হাতে হরিণকে কাবু হতে হয়। কারণটা কী?
কারণ হলো, হরিণ লাফাতে লাফাতে কখনও কখনও পেছন ফিরে তাকায়। বাঘের থেকে সে কতটা এগিয়ে তা বুঝার জন্য। আর এটাই হয় সর্বনাশের কারণ।
পেছন ফিরতে গিয়ে এক লাফ কমলেই ২৩ হাত পিছনে চলে আসে।
তাই চলার পথে কখনো পিছনে তাকাতে নেই। দৃঢ় প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই হচ্ছে — "স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছা"।
--------------------
আমরা সবাই জেনে বা না জেনে নানা রকম ভুল করে থাকি। কিন্তু নিজের ভুলগুলো আমরা গোপন করতে চাই আর অন্যের ভুলগুলো আমরা আবার সবার কাছে প্রকাশ করে দেই।
নিজের ভুলগুলো অন্য কেউ বললে আমরা তা সহ্য করতে পারিনা কিন্তু অন্যের ভুলগুলো আমরা অবলীলায় মানুষের কাছে বলে বেড়াই।
কিন্তু আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের কি তা শিখিয়েছেন !?
হাদিস শরীফে এসেছে, এক মুমিন অন্য মুমিনের কাছে আয়না স্বরূপ। সে তার ভুল দেখলে তাকে শুধরে দেবে কিন্তু কাউকে বলবে না। কিন্তু আমরা, কেউ ভুল করলে সে ভুলকে সবার কাছে কতক্ষনে বলবো এই চিন্তায় থাকি।
নবী করীম সা. বলেন, দুনিয়াতে যে কেউ অন্যের দোষ গোপন করবে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ ও তাঁর দোষ গোপন করবেন।
- সহীহ মুসলিম। হাদিস নং ৬৭৬০।
আসুন আমরা মানুষের দোষ না বলে, মানুষের ভালো কাজগুলির কথা বলি। ভালো কাজের প্রশংসা করি।

Comments
Post a Comment