Skip to main content

বিবেক কে সুস্থ রাখুন:

 বিবেক কে সুস্থ রাখুন:


★৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলতে পারি, কিন্তু এসি ছাড়া তারাবীহ নামাজ পড়তে পারি না! ★রেস্টুরেন্টে খেয়ে ওয়েটারকে ১০০ টাকা বকশিস দিতে পারি, কিন্তু রেস্টুরেন্টের সামনে রৌদ্রে দাড়িয়ে থাকা ভিক্ষুকটিকে ১০ টাকা দিতে পারি না! ★ বাড়ির দারোয়ান কে ৭ হাজার টাকা বেতন দিতে পারি, কিন্তু মসজিদের ইমাম সাহেবের ৩০০ টাকা বেতন দিতে পারিনা! ★ঈদের শপিং এ নিজের বাচ্চার জন্য ১০ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি, কিন্তু বাড়িতে কাজের মেয়েটির জন্য ১ হাজার টাকা বাজেট রাখতে পারি না! ★শপিং মলে মানসম্মানের ভয়ে দরাদরি না করে ১ হাজার টাকার জিনিস দেড় হাজার টাকায় কিনতে পারি, কিন্তু তরকারি বাজারে ৩০ টাকার টমেটো ৩২ টাকা চাইলেই বিক্রেতাকে মেরে বসি! ★২০০ টাকার বাস ভাড়া ২০০০ টাকা দিয়ে কার নিয়ে যেতে পারি, কিন্তু রিক্সাওয়ালা ১০ টাকার ভাড়া ১৫ টাকা চাইলেই থাপ্পর দিতে দেরি করি না! ★শরীর পরিস্কার রাখার জন্য হাজার টাকার সাবান/ ফেইসওয়াস ব্যবহার করতে পারি, কিন্তু সম্পদ পরিস্কার/পবিত্র করার জন্য দরিদ্রকে যাকাত দিতে পারি না! কোথায় মানবতা, কোথায় মনুষত্ব?😥😥
-----♦️যৌন চাহিদা হচ্ছে ক্ষুধার মতো‼️
ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার প্রয়োজন হয় , তেমনি নারী পুরুষ একটি নির্দিষ্ট বয়সে উপনীত হলে তাদের যৌন চাহিদা সৃষ্টি হয় ৷ এটা আল্লাহর একটি সৃষ্টি। তাই প্রতিটি ছেলে মেয়ের উপযুক্ত বয়সে বিবাহ হওয়াটাই শ্রেয়। কিন্তু আমাদের সমাজে পড়াশোনার নামে , ক্যারিয়ার গড়ার নামে উপযুক্ত সময় থেকে অনেক পরে ছেলে-মেয়েদের বিবাহ দেয়া হয়। ফলে যৌন চাহিদার বর্শবর্তি হয়ে যেনা ব্যভিচারে পা বাড়ায় যুবক যুবতীরা ৷ আর এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক ৷ কারণ আপনি যদি একটি বিড়াল পালেন , আর তাকে খেতে না দেন তাহলে সুযোগ পেলেই বিড়াল আপনার হাড়ির খাবার চুরি করবে ৷ অভিভাবকরা ইচ্ছে করেই ছেলেমেয়ের বিয়ে দেরীতে দিচ্ছে , সুতরাং যেনা তো হবেই ৷ আপনার মেয়ে অন্য ছেলের সাথে তো পালাবেই ৷ এটা আপনারই কর্মফল ৷ সরকারি বিধান মোতাবেকও যদি একজন নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছর এবং একজন পুরুষের বিয়ের বয়স ২১ বছর হয় তারপরও অনেক অভিভাবকেরা ছেলের বয়স নিয়ে গেছে ৩০/৩৫ এ এবং মেয়ের বয়স নিয়ে গেছে ২৫/২৮ এ ৷ অথচ ইসলামিক রাষ্ট্রে ছেলে মেয়েদের এত দেরীতে বিবাহ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই ৷ অভিভাবকের কাছে এখন বিবাহ হয়ে গেছে কঠিন তাই যেনা হয়েছে সহজ ৷ এর জন্য এই সমস্ত সহীহ দ্বীনহীন অভিভাবকরাই দায়ী! আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞাও করেছেন “ বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দিবো।” তবুও মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খোজাটা মূলত আল্লাহ্’র উপর অনির্ভরশীলতা’র ইঙ্গিত। আমি তো মনে করি, “একটা ভালো চাকুরী’র পূর্বশর্তই হচ্ছে “বিয়ে”। কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন। ♦️পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারীমা… ” ﻭﺃﻧﻜﺤﻮﺍ ﺍﻻﻳﺎﻣﻲ ﻣﻨﻜﻢ ﻭ ﺍﻟﺼﺎﻟﺤﻴﻦ ﻣﻦ ﻋﺒﺎﺩﻛﻢ ﻭ ﺇﻣﺎﺋﻜﻢ ﺇﻥ ﻳﻜﻮﻧﻮﺍ ﻓﻘﺮﺍﺀ ﻳﻐﻨﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ “ (তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন) – সূরা নুর। আয়াতঃ ৩২। .অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ্ এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ্ জানেন, অবিভাবকেরা কি সব চিন্তা করেন। অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে কেউ বিয়ে করতে চাওয়া সামাজিকভাবে খারাপ চোখে দেখা হয়। আমাদের সমাজে কেউ কারো বিয়ের কথা শুনলে মানুষ এতোটাই অবাক হয় যে অবৈধভাবে প্রেম ভালোবাসা যেনা করলেও এতোটা অবাক হয়না। বিষয়টা এখন সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে,আগে মানুষ প্রেম ভালোবাসার কথা শুনলে অবাক হতো লজ্জা পেত, এখন তার বিপরীত। এ কারণেই আজ আমাদের সমাজের এত অধঃপতন। ছেলে বিয়ে করে মেয়েকে খাওয়াবে কি..!? আপনার আরেকটা মেয়ে থাকলে তাকে খাওয়াতেন না? তাহলে সমাজকে পাপমুক্ত করার জন্যে নিজের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে অন্যের ঘরে তুলে দিয়ে, ছেলেকে বিয়ে করিয়ে অন্যের মেয়েকে ঘরে তুলে নিজের মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি মনে করে অন্যের মেয়েকে খাওয়াতে অসুবিধা কোথায়?? শুধু প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথেই বিয়ে দিতে হবে এই চিন্তা কেন আসবে..? প্রতিষ্ঠিত বলতে কি বুঝেন আপনি..? ভুলে যাবেননা মানুষের ভাগ্য" হায়াত মউত এগুলো মানুষের হাতে থাকেনা কখনো বলেও আসেনা। ধরুন,আজকে আপনি একজন ভালো চাকুরীজীবি প্রতিষ্ঠিত ছেলের সঙ্গে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিলেন,দুর্ভাগ্যবশত বিয়ের পরে তার মৃত্যু হলে বা তার চাকুরী চলে গেলো তখন কি করবেন.? তাই প্রতিষ্ঠিত নয়,একজন ভালো নামাজি দ্বীনদার ছেলে দেখেই বিয়ে দিন,এতে তারা সাময়িক কিছু করতে না পারলেও তাদের দ্বীনদারীত্বের কারনে আল্লাহর রহমত অবধারিত থাকবে, এবং ভাল একটা কিছুর ব্যবস্থা হবে ইনশাআল্লাহ । আর বদবখত,লম্পট, প্রতিষ্ঠিত ছেলে দেখে দিবেনতো বিয়ের পরে পস্তাতে হবে,যতই প্রতিষ্ঠিত হউক আল্লাহর রহমত না থাকলে গজব অবধারিত। টাকা পয়সা মানুষকে সুখ শান্তি এনে দিতে পারেনা। সুতরাং,আপনার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সমাজের অসংখ্য ছেলেকে চারিত্রিক শুদ্ধতা নিয়ে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করুন।নিশ্চই এখন যে ছেলেটা বেকার সেই কয়দিন পর প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবে। তখন কিন্তু তার চাহিদাও বেড়ে যাবে। প্রতিষ্ঠিত হয়েই যখন বিয়ে করতে হল, তখন ভাল দেখেই বিয়ে করি। তখন দেখা যায় এসকল আপুদের আর বিয়ে হয় না।আবার কোন কোন অবিভাবক লেখা-পড়া শেষ করার আগে বিয়ে দিতে চায়না,ফলে মেয়ের বয়স বেড়ে যায় প্লাস চেহারার লাবন্নতা নষ্ট হয়। বয়স্ক মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চায়না আরো যদি লাবন্নতা হ্রাস পায়,তাহলেতো কথায় নাই।তাই দেখা যায় অনেক আপুদের বিয়ে হচ্ছেনা বলে অবিভাবকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।কয়েক বছর আগেও যে সকল প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছি,এখন তাদের হয় বিয়ে হয়েছে তা নাহলে এখন আর তারা আগ্রহী নয়।তো আসুন সবাই বিয়েকে তথা হালালকে সহজ করি এবং প্রেম তথা হারামকে কঠিন করি। ছেলে-মেয়েকে বিয়ে দিন সাবালক হলেই… আপনি যদি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার কলুষিত দিকগুলো দেখেন তার অধিকাংশের কারণ মূলত বিয়েতে দেরি করা। তা আপনি বুঝুন আর না-ই বুঝুন! পিতা-মাতা তথা অভিভাবকদের জন্য দুটি দিকে খুবই দায়িত্ববান হওয়া দরকার। সন্তান লালন-পালনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সন্তানকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই বিয়ে দিতে হবে। ♦️ #রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যার কোনো সন্তান জন্ম লাভ করে সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব-কায়দা শিক্ষা দেয়। যখন সে বালেগ হয় তখন যেন তার বিবাহ দেয়। যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিবাহ না দেয় তাহলে সে কোনো পাপ করলে, সে পাপ তার পিতার উপর বর্তাবে।’ (বায়হাকী, মিশকাত হা/৩১৩৮)। বিবাহের বয়স হওয়ার পর ছেলেমেয়ে যত ধরনের অবৈধ সম্পর্ক,যেনা ব্যভিচার করবে সেই পাপ ঐ ছেলেমেয়ের পিতার বা অভিবাকের হবে । 📛 অতএব, আপনি ও আপনার সন্তানকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে ও সুন্দর সমাজ গড়তে আপনার সন্তানকে সামর্থ্য থাকলে বিয়ে দিয়ে দেন তাড়াতাড়ি। : আল্লাহ বলেনঃ
চরিত্র রক্ষার জন্য যারা বিয়ে করবে তারা যদি অভাবি হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দিবেন। (সূরা নূর আয়াত-৩২)-------------------------------------

স্বামী আর স্ত্রী বেড়াতে গেল চিড়িয়াখানায়। তারা দেখল একটি বানর তার সঙ্গীনির সাথে খেলছে, খুনসুটি করছে। স্ত্রী দৃশ্যটা দেখে মুগ্ধ হয়ে স্বামীকে বললো: বাহ! কী চমৎকার ভালোবাসার দৃশ্য! দেখো! কত মহব্বত এদের মধ্যে। এরপর তারা গেল সিংহের খাঁচার কাছে, দেখলো সিংহটা খাঁচার একপাশে চুপচাপ বসে আছে। সিংহীটাও অদূরে অন্য দিকে ফিরে বসে আছে। স্ত্রী দেখে বলল: আহারে! ভালোবাসার কী নির্মম পরিণতি! স্বামী এতক্ষণ চুপচাপ স্ত্রীর পাশে হাটছিল। এবার নীরবতা ভঙ্গ করে বলল: ধরো! এই পাথরের টুকরোটা সিংহীটার দিকে ছুঁড়ে মারো আর দেখো কী ঘটে! মহিলাটি যখন পাথরের টুকরোটা সিংহীর দিকে ছুঁড়ে মারলো, সাথে-সাথে সিংহটা ক্ষিপ্ত হয়ে সঙ্গীনিকে বাঁচানোর জন্য গর্জে উঠল। তারপর স্বামী বললোঃ এবার চলো বানরের খাঁচার দিকে... নাও পাথরের টুকরোটা মেয়ে বানরটার দিকে ছুঁড়ে মারো আর দেখ কী ঘটে। পুরুষ বানরটার আচরণ লক্ষ্য করবে যে, সে কি করে.. স্ত্রী পাথরের টুকরোটা মেয়ে বানরটার দিকে ছুঁড়ে মারল। দেখা গেল ছুঁড়ে মারার আগেই ছেলে বানরটা আত্মরক্ষার্থে ছুটে পালিয়ে গেল। সঙ্গীনির দিকে ফিরেও তাকাল না। এবার স্বামী বলল: শোন, তুমি যা চোখে দেখো আর মানুষ তোমার সামনে যা প্রকাশ করে তা দেখে সবসময় প্রভাবিত হয়ে যেয়ো না। অনেক মানুষ আছে যারা তাদের বানোয়াট ও মিথ্যা আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করে অন্যকে প্রতারিত করে যার পুরোটাই অভিনয় এবং লোক দেখানো হয়। আবার অনেক মানুষ আছে যারা তাদের ভেতরে গভীর অনুরাগ-ভালোবাসা লুকিয়ে রাখে বা প্রকাশ করতে পারেনা.. তাদের ভালোবাসা কিন্তু অনেক গভীর হয়। লোক দেখানো হয় না!! আজকাল সমাজে সিংহের চেয়ে এই বানরদের সংখ্যাটাই অধিক! আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক,,
--------------------------------
❌ বিয়ের সময় জঘন্য নিয়ম ❌ __________________________ ১. বিয়ের গোসল দেয় ভাবিরা, অথচ স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকে গোসল দিতে দেয়না। ২. বিয়ে করলেন আপনি, আর বিয়ের অনুষ্ঠানে আপনার হাত ধুয়ে দিবে আপনার শালি। বউকে কোলে করে ঘরে নিয়ে যাবে আপনার ছোটভাই, মানে দেবর। অবাক নয় কি??!!!! ৩. বিয়ের সম্পর্ক যৌবনের সাথে, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পড়ে রয়েছে আজীবন। অথচ আমাদের দেশে বলা হয় আগে ক্যারিয়ার গড়ো তারপর বিয়ে কর। পরিণতিতে পার্কে পার্কে অবাধ প্রেমলীলা, ধর্ষণের সেঞ্চুরি আর ডাস্টবিন গুলোতে বেওয়ারিশ শিশু লাশের ছড়াছড়ি যা কুকুর, কাক আর শকুন মিলে ভাগাবাটি করে খায়। ৪. বিয়ে করে বউকে খাওয়াবি কী????? কথাবার্তা শুনে মনে হয় বউ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ খাদক যার ক্ষুধা নিবারণ করা দু:সাধ্য। ৫. মনে হয় পর্দা শুধু নারীদের জন্য। অথচ আল কুরআনে সর্বপ্রথম পুরুষের পর্দার কথা বলা হয়েছে। ৬. বিয়ে মানেই মেয়ের বাবার উপর খরচের পাহাড় চাপিয়ে দেয়া। অথচ ইসলামে দাওয়াত খাওয়ানোর দায়িত্ব বর পক্ষের, কন্যা পক্ষের নয়। ৭. আমাদের দেশে বরপক্ষ যৌতুক নেয়, মোহরানা না দিয়ে বাসর রাত্রে স্ত্রীর নিকট ক্ষমা চায়। অথচ ইসলামি বিধান মতে স্ত্রীরা মোহরানার হক্বদার, যৌতুক তো সম্পুর্ণ হারাম। ৮. কতিপয় মানুষের কথাবার্তা শুনে মনে হয় সেবা পাওয়ার হক্বদার শুধুই স্বামী। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট (দ্বীনের ক্ষেত্রে) উত্তম। ৯. বিয়ের অনুষ্ঠানে বরের হাতে স্বর্ণের আংটি না পরালে মান সম্মান থাকেনা, অথচ পুরুষদের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম। ১০. পুরুষদের কাপড় থাকবে টাখনুর উপরে, আর মেয়েদের কাপড় থাকবে টাখনুর নিচে। অথচ বাস্তবতা??????? ১১. আলেম-ওলামারা শুধু পিতা-মাতার খেদমতের হাদিস বয়ান করে থাকে, অথচ সন্তান লালন-পালনের অনেক হাদিস রয়েছে যে ব্যপারে এক অজানা নিরবতা। দুই একজন হুজুর এ ব্যপারে কথা বললেও সর্বোচ্চ সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষাদানের গুরুত্ব পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। ১২. বিয়ের ব্যপারে হাজারো বাধা বিপত্তি থাকলেও ব্যভিচার একেবারেই সহজলভ্য। ১৩. কতিপয় লোকের কাণ্ড কারখানা দেখলে মনে হয় যে, কন্যাকে- বোনকে সম্পত্তি ফাঁকি দিতে পারা সবচেয়ে বড় ক্রেডিট। ভাবখানা এমন যে, পুত্র সন্তানদের জন্ম দিয়েছে নিজ ঘরে, আর কন্যাদের কচু বাগানে।

source-rose tv 24

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...