আমাদের জিহ্বা দিয়ে ১৯ টি মারাত্বক পাপ সংঘিত হতে পারে !!
সেগুলো হচ্ছে নিম্নোরূপঃ-- ১) কারও নাম খারাপ করে ডাকা / নাম ব্যাঙ্গ করা। ২) খারাপ ঠাট্টা বা বিদ্রূপ করা। ৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা। ৪) কাউকে গালি দেয়া। ৫) কারও নিন্দা করা। ৬) অপবাদ দেয়া। ৭) চোগলখুরী করা। ৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া। ৯) মোনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা। ১০) বেহুদা ও অতিরিক্ত কথা বলা। ১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা। ১২) কারও গীবত করা। ১৩) খারাপ উপনামে ডাকা। ১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া। ১৫) কাউকে সামনা-সামনি বা সম্মুখে প্রশংসা করা। ১৬) মিথ্যা স্বপ্ন বলা। ১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা। ১৮) জীহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহন করা বা খাওয়া। ১৯) জীহ্বা দিয়ে খরাপ অর্থে কাুউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো। পরিশেষে বলব, আমরা যেন নিম্নোক্ত হাদিসটির উপর আমল করতে উদ্যোগী হই- ★সাহাল ইবনে সায়াদ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (স:) বলেছেন, "যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী অঙ্গ ( জিহ্বা ) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী অঙ্গ ( লজ্জাস্থান ) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।" [ বুখারী শরীফ- ৬৪৭৪ ] মহান আল্লাহ্ আমাদেরকে মুখ তথা জিহ্বাকে হেফাজত করার তৌফিক দান করুন আমীন 🤲
--------------------------
টুপি ও পান্জাবিকে বিভক্তির উপলক্ষ্য বানাবেন না, প্লিজ :
পোশাকের ব্যাপারে ইসলাম উদার। নির্দিষ্ট কোন পোশাককে ইসলাম ড্রেস কোড করে নি। বরং পোশাকের ব্যাপারে কিছু কায়টেরিয়া প্রদান করেছে। রাসূল সা, নিজেও সব সময় এক ধরনের পোশাক পরিধান করতেন না। নির্দিষ্ট কোন পোশাক পরিধান করতেও বলেন নি। সাহাবাগণও রা, একরকম পোশাক পরিধান করতেন না। সুতরাং নির্দিষ্ট কোন পোশাক কে সুন্নাত বলার কোন সুযোগ ইসলামে নেই। তবে তাঁরা লম্বা জামাও পরতেন।
লম্বা জামা আমিও পরিধান করি, কিন্তু সুন্নাত মনে করি না। ভালো লাগে তাই পরি। লম্বা ও ঢিলেঢালা জামা পরিধান করা পর্দার জন্য বেশি উপযোগী ও পরিধানে বেশি আরাম বোধ হয় তাই অনেক আলেমও এ পোশাক পছন্দ করেন। কিন্তু এটাকে কোন ইসলামী স্কলার সুন্নাত বলেন নি। এটি আদতের অন্তরভুক্ত।
পোশাকের ব্যাপারে ইসলাম বলেছে- সতর আবৃত করতে হবে, থিনথিনে পাতলা হবেনা, পুরুষ টাখনু গিরা ঢাকবে না, পুরুষ রেশমী কাপড় পরবে না, অঙ্গ স্পষ্ট হয় এমন টাইটফিট হবে না, নারী পুরুষের পোশাক ও পুরুষ নারীর পোশাক পরবে না ইত্যাদি।
এর আলোকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আলেমগণও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পোশাক পরিধান করেন। কারো জামা টাখনু পর্যন্ত লম্বা। আবার কারো পায়ের নালার মাঝ পর্যন্ত প্রলম্বিত। কারো হাঁটু পর্যন্ত। কারো মাজা পর্যন্ত। কারো কোণা কাটা। কারো জোড়া লাগানো। কারো কলার বিশিষ্ট। কারো কলার বিহীন। পাকিস্তান, সৌদি আরব, বাংলাদেশ ও ইউরোপের আলেমগণ ভিন্ন ভিন্ন পোশাক পরিধান করেন। এটা ইসলামের উদারতার কারণেই। যারা এ উদারতকে সংকীর্ণ করবে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের ভালোবাসেন না।
ঠিক টুপিও তাই। রাসূল সা, টুপি পরতেন, তবে নির্দিষ্ট কোন টুপি পরিধান করেন নি। তিনি মাঝে মাঝে এক খন্ড কাপড় মাথার উপরে এমন ভাবে রাখতেন, যা মাথার তৈলের কারণ মাথার সাথে লেপটে যেতো। তিনি মাথা ঢেকে চলা পছন্দ করতেন। টুপির উদ্দেশ্যও মাথা ঢেকে রাখা। তাই তো সৌদি আরব, ওমান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আলেমগণ ভিন্ন ভিন্ন টুপি পরিধান করেন। এটাও ইসলামের উদারতার কারণেই। নির্দিষ্ট কোন ডিজাইনের টুপিকে সুন্নাত মনে করা - ইসলামের উদারতাকে সংকীর্ণ করার নামান্তর। যারা এক কল্লি, তিন কল্লি, পাঁচ কল্লি, লম্বা, গোল, উঁচু, নীচু ইত্যাদির কোনটিকে সুন্নাত বানাবে তারা সীমালঙ্ঘনকারী।
আমি উঁচু টুপি পরিধান করি, এটা আমার ভালো লাগে। কিন্তু যারা ভিন্ন টুপি পরে তাদের ব্যাপারে কখনো মনে সামান্য বিরুপ চিন্তা তৈরি হয় না। হবেই বা কেন, এটা তো তার এখতিয়ার। এ টুপি মাথায় দিয়ে চরমোনাই গিয়েছি, আহমদ শফী র, এর জানাজায় হাটহাজারী গিয়েছি। কোন অসৌজন্যতা পাইনি। বরং পীর সাহেব হুজুরদ্বয়ের মেহমানদারী ও হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্রদের ভালোবাসায় দারুণভাবে সিক্ত হয়েছি।
আজ বাংলাদেশে এ সীমালঙ্ঘন কর্মটা হয়ে গেছে ইসলাম বা হক্ক চেনার আলামত! টুপি আর জামার সাইজ দেখে হক্ক তালাশ করছে। মন মত টুপি বা জামা না হলে মাদ্রাসা বা দরবারে বাঁকা চোখে দেখা হচ্ছে। তবে কোন প্রতিষ্ঠানে ড্রেস কোড থাকলে সেটা ভিন্ন কথা।
আচ্ছা মক্তবেও কি ড্রেস কোড আছে? এটা জীবনে গতকাল প্রথম শুনেছি! ভিন্ন টুপির কারণে ওস্তাজ ছাত্রকে মক্তব থেকে বের করে দিয়েছেন। আসলে ড্রেস কোড নয়, আমরা কেউ কেউ বিভক্তির চাষ করছি। যে বিভক্তি ইসলামে হারাম, সেটাকে ইনিয়ে-বিনিয়ে আমরা ইবাদত বানাচ্ছি!
হে রব! আমাদের সঠিক বুঝ দাও।
আমাদের মাঝে ঐক্য ও ভালোবাসা দাও।
Abul Kalam Azad basar
-----------------------
---‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে একযোগে বর্ণিতঃ তারা উভয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর মিম্বারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন :
" যারা জুমু‘আর সলাত ত্যাগ করে তাদেরকে এ অভ্যাস বর্জন করতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে সীল মেরে দিবেন, অতঃপর তারা গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।"
.
আমাদের দেশেও নানাশ্রেনী ও পেশার মানুষ নানান অজুহাতে জুম'আ ছেড়ে দেন। বিশেষ করে অনেক নির্মাণ শ্রমিক, পরিবহনের সাথে জড়িত ড্রাইভার হেলপার, গ্যারেজের মিস্ত্রি সহকারী, হোটেল রেস্তোরাঁয় কাজ করায় জড়িত যারা তারা জুমাও পড়েনা কাজের অজুহাতে বা বাস্তবতায়। মাঝে মাঝে মাসজিদ থেকে বেরিয়ে হাত পেতে থাকা অনেক সায়েলকে জিজ্ঞাসা করেছি, কি নামাজ পড়ে চাচ্ছেন নাকি না পরেই? চুপ করে থাকে! মানে জুমার মুসল্লিরা টাকা দিচ্ছে জুমা ত্যাগকারীকে! মাসজিদের সামনে বসেও যে জুমা পড়েনা!
.
আর একটা শ্রেনীর মনে হয় অন্তরে সীল পরেই গেছে, যে জুম'আ বারের জন্য ছুটি পেয়েছেন তিনি, সেখানে জুম'আ বাদ দিয়ে বাজার হাট, ঘোরাঘুরি, চুল কাটার সেলুনে, খেলাধুলায় জুম'আকে ছেড়ে দেয়! যেনো এটা কোনো ব্যাপার হলো? আল্লাহ সবাইকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের এ হাদীসের মর্ম বুঝার তাওফিক দিন। আসুন, যে যার অবস্থান থেকে জুমার বিষয়ে সিরিয়াস হই ও মানুষকে সালাতের গুরুত্ব বুঝাই।
.
হাদীসের রেফারেন্স:
(ই.ফা. ১৮৭২, ই.সে. ১৮৭৯)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৮৮৭------------------------------
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।
আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়।এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে।তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা,তবুও আপনি জিতেছিলেন।
২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।
আর আজ......
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।
কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন,শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় সৃষ্টিকর্তাকে কে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,
শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেন!!!
ইনশাআল্লাহ ❤
১| নিজের দিকে খেয়াল করুন,পরের সমালোচনা বন্ধ করুন।
২| হকদারের হক ফেরত দিন।
৩| স্ত্রীর মোহরানা প্রদান করুন। কবিরা গুনাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করুন।
৬| এমন কোনো ভালো কথা বলবেন না,যা নিজে আমল করেন না।(বক্তা সিলেকশানে কথা কাজের মিল দেখবেন) ওই বক্তাকে দ্বীনি প্রোগ্রামে মেহমান করবেন।
৭| কোরআনকে অন্তর দিয়ে বুঝুন ও গ্রহন করুন।
৮| পরিবারের প্রতি ইনসাফ করুন।বিশেষ করে মা ও স্ত্রীর প্রতি ইনসাফ করুন।মায়ের প্রতি রহমতের হাত প্রসারিত করুন।কোনো অবস্থায় যাতে কষ্ট না পায় সে দিকে খেয়াল করুন।স্ত্রীকে সুখী করতে মা"কে দাসী বানাবেন না। অর্থাৎঃ মায়ের থেকে স্ত্রীকে আলাদা করবেন না।আপনার স্ত্রীকে বুঝিয়ে বলুন,তাকে সুন্দর ভাবে চলতে উপদেশ,নসীহত করুন,তার জন্য দোয়া করুন।
৯| মনে রাখবেন আপনারা স্ব-স্ব জায়গায় আল্লার প্রতিনিধি।
১০| মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে সহীহ্ বুঝ দান করুন। দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করুন।সর্বোপরি মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করুন।
--------------------
RIGHT বয়সে বিয়ে করলে কি উপকার আপনি কি জানতে চান।।
এই সমাজ তোমাকে ভালকিছু দিতে চায়না
বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায়
এইভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের চরিত্র
পারছিনা যৌবন কে পবিত্র রাখতে
কারণ হচ্ছে যৌবন এক ধরণের ক্ষুদা।
ক্ষুদা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয়
ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুদা লাগলে বউ দরকার হয়।
কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও।
তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো।
অতচ এই আয়াতে আল্লাহ বলেন :
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
বিয়ে করো,তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি
আল্লাহর......!!!!!!অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো।
আবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী,
২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়
৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।
হাদিসটি পাবেন
(তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি, সুনানুল
RIGHT বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু
সময় পাওয়া যায়।কেন এতো বিয়ে করতে দেরি
করছেন।আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন।
আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেবেন তার
ওয়াদা দিয়েছেন।
শুধু খামাখা কেন দেরি করছেন, বিয়ে করুণ......
যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল
অফার টাকে গ্রহণ করুণ।
বিয়ে করুণ
বিয়ে করলে যে উপকারিতা পাবেন তা হলো
১। লজ্জা স্থানের হেফাজত হয়
২। বিবাহ চক্ষু নিচু করে
৩। তাড়াতাড়ি ধনি হওয়া যায়।
৪। ইমান পরিপূর্ণ হয়
৫। অসুস্থতা দূর হয়।
৬। ইবাদতে মজা পাওয়া যায়।
৭। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
৮। মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।
এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবেন
যেনা করতে গিয়েও তা পাবেন না।
৯। মেজাজ ঠান্ডা থাকে।মাথা কখনো হট হবেনা।
১০। যৌবনের ক্ষুদা নিবারণ হয়।
আরো অনেক উপকারিতা আছে।
খাবার না পেলে যখন ক্ষুদার যন্ত্রনায় হারাম
ভক্ষণ করে ফেলে।ঠিক সেই রকম বউ না থাকলে যৌবনের ক্ষুদার তাড়নায় অনেকে লজ্জা স্থান দিয়ে পর নারীর সাথে যিনা করে ফেলে।
বিয়েকে সহজ করুণ,দেখবেন সমাজ থেকে
অনেক জেনা ব্যাবিচার কমে যাবে।
ছেলেমেয়েদের অভিবাবকদের বলি RIGHT বয়সে ছেলে মেয়ে বিয়ে করান।
সরকারি চাকরি বাদ দেন,আগে দেখুন ছেলে মানুষ কিনা।যদি মানুষ হয়, তার সাথে বিয়ে দেন।
কারণ একটা মেয়ে কখনো খাবার অভাবে
মারা যায়না।মারা যায়তো জানোয়ার গুলোর অত্যাচারে।
তাই মেয়ের বাবাদের বলছি বিষয়টি বিবেচনায় নেন।
ছেলের বাবাদের বলছি
আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন ধনী বানিয়ে দেবে
তাই ছেলেকে বিয়ে করাণ,,, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে আপনার ছেলে।
আল্লাহ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুণ (আমিন)
সংগৃহীত.....
source-rose tv 24

Comments
Post a Comment