বড়শীতে আটকানোর আগে
যদি উনাকে বুঝানো হতো--উপরে মানুষ আছে। মানুষের কাছে--দা, বটি, ছাই, হলুদ, মরিচ, লবন, কড়াই, গরম তেল, আগুন আছে, যাতে উনাকে ফ্রাই করা হবে। উনি কখনও বিশ্বাস করতো না---করলে এই বড়শীর ধারে কাছে আসতো না। তেমনি আমাদেরকে ও বার বার সর্তক করা হচ্ছে, মৃত্যুর পর, কবর আজাব, হাশরের মাঠ, পুলসিরাত, জান্নাত জাহান্নাম আছে--আমরা বিশ্বাস করি না--যদি করতাম--তাহলে আমাদের চরিত্র কখনও এতটা কুৎসিত হতো না-- আমরা হতাম পবিত্র মানুষ। আমরা ঘুষ, সুদ, হারাম আয় থেকে দুরে থাকতাম। এই মাছটির মতই আমাদের একদিন ঐ সত্যের মুখোমুখি হতে হবে নিশ্চিত জেনে রেখো।
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Comments
Post a Comment