Skip to main content

ফ্রিল্যান্সিং সম্মানজনক স্থায়ী পেশা


ফ্রিল্যান্সিং মানে শুধু ইনকাম না । এটা সম্মানজনক লাইফটাইম স্থায়ী পেশা । সুতরাং সঠিকভাবে নিজের পরিচয় দিতে শিখুন । ১. কখনোই বলবেন না আপনি ফ্রিল্যান্সার । কারণ সাধারণ মানুষ মনে করে ফ্রিল্যান্সিং মানে - ক্লিক করা, অনলাইনে ইনভেষ্ট করা, ডাটা এট্রি করা ইত্যাদি । সুতরাং ফ্রিল্যান্সার বললে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিবে না । ২. বলবেন আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি আমেরিকান কোম্পানীতে ডিজিটাল ম্যানেজার বা এস.ই.ও প্রফেশনাল হিসেবে চাকরী করেন এবং সেই কোম্পানী প্রতি মাসে আপনার ব্যাংক একাউন্টে সেলারী সেন্ড করে । এভাবে বললেই মানুষ বুঝবে যে আপনি চাকরী করেন । সাধারণ চাকরী না বরং বিদেশী কোম্পানীতে চাকরী । তখন মানুষ আপনাকে ক্রিয়েটিভ পরসন হিসেবে যথাযথ মূল্যায়ন করবে । ৩. দেশী কোম্পানীতে চাকরীর চাইতে বিদেশী কোম্পানীতে চাকরী করলে তার সেলারী ৫গুণ বেশী হবে এটা মানুষ বুঝবে । ৪. বিদেশী কোম্পানীতে কয়েব বছর চাকরী করলে ভবিষ্যতে তার বিদেশে ট্রান্সফার হওয়ার সম্ভাবনা আছে এটা মানুষ নিজে নিজেই বুঝে নিবে । ৫. আপনি যোগ্য না হলে বিদেশী কোম্পানী জব দিত না । সুতরাং এটা সহজেই অনুমেয় যে আপনি অন্য সবার চাইতে বেশী মেধাবী, বেশী ক্রিয়েটিভ । ৬. সবচাইতে বড় কথা আপনার যখন পকেটভর্তি টাকা থাকবে চারপাশের সবাইন আপনাকে সম্মান করবে । আশা করি আত্ন সম্মানের সাথে মাথা উঁচু করে সঠিকভাবে নিজেকে উপস্থান করতে পারবেন । ধন্যবাদ । সম্পূর্ণ ফ্রি তে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে এই লিংকে ক্লিক করুন: http://www.outsourcinghelp.net/classn...

শুধুমাত্র কাজ শিখলেই হবে না, হাইলি প্রফেশনাল লেভেলে কাজ শিখতে হবে । আবার শুধুমাত্র প্রফেশনাল লেভেলে কাজ শিখলেই হবে না, অন্যদের চাইতে বেটার কাজ জানতে হবে এবং এমনভাবে কাজ করতে হবে যে বায়ারের পারপাস সার্ভ হয় পারফেক্টলি । তাছাড়া কাজে এপ্লাই করার আগে খুব ভালভাবে স্যাম্পল তৈরী করে রাখতে হবে যেন বায়ারকে নিজের দক্ষতা দেখানো যায় । কেবলমাত্র তখনই বায়ার আপনাকে পেমেন্ট করবে এবং আপনার সম্পর্কে ভাল ফিডব্যাক দিবে । -------------------------------------------- কিন্তু যদি আপনার কাজে বায়ার সন্তুষ্ঠ না হয় তবে সে পেমেন্ট তো দিবেই না বরং আপনার বিরুদ্ধে মার্কেটপ্লেসে কমপ্লেইন করবে এবং নিশ্চিতভাবে আপনার একাউন্টটি সাসপেন্ড হয়ে যাবে । ------------------------------------------- সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রফেশনাল লেভেলে কাজ শিখতে ধারাবাহিকভাবে আমাদের এই ফ্রি ভিডিওগুলো দেখুন । ফ্রি কোর্স লিংক: http://www.outsourcinghelp.net/classn
অথবা আমাদের দেখানো পথে হেঁটে অন্য সবার মত আপনিও এক মাসের মধ্যে সফল হোন, কোন এডমিশন হতে হবে না, টাকা খরচ করতে হবে না । এক মাসের মধ্যে সফল হওয়ার সিক্রেট কৌশল দেখুন এই লিংকে : https://www.youtube.com/watch?v=4wkeX...
যারা আগে থেকে কাজ করছে, যাদের ভাল অভিজ্ঞতা আছে বায়াররা তো তাদেরকেই কাজ দিবে । আপনি তো নতুন কোন অভিজ্ঞতা নাই, কোন রিভিউ বা ফিডব্যাক বা কোন কাজের স্যাম্পল নেই । তাহলে বায়াররা আপনাকে কি দেখে কাজ দিবে ? কেন দিবে ? আদৌ দিবে কিনা ? নতুনদের মাথায় এই প্রশ্নগুলো খুরপাক খেতে থাকে । জব পাচ্ছেন না কারণ অভিজ্ঞতা নেই । অভিজ্ঞতা তৈরী হচ্ছে না কারণ জব পাচ্ছেন না । এই দুষ্টচক্র থেকে বের হওয়ার উপায় কি ? ১. যে সকল বায়ার কম টাকায় কাজ করাতে চায় তারা শুধুমাত্র নতুনদেরকেই কাজ দেয় । কারণ পুরাতনরা কখনো অল্প টাকায় কাজ করবে না । আপনার অভিজ্ঞতা হওয়ার পর আপনিও কম টাকায় কাজ করবেন না । শুরুতে কয়েকটি কাজ কম টাকায় করে দিন । নতুন অবস্থায় বায়ার আপনাকে কত টাকা সেলারী দিলে তা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ না বরং সে আপনার সম্পর্কে কি পাবলিক রিভিউ দিল তাই গুরুত্বপূর্ণ । একটি ভাল রিভিউ আরো দশটি কাজ পাওয়ার পথ তৈরী করবে । ২. কিছু কিছু কাজ এমন থাকে যে সেগুলোতে কোয়ালিটি গুরুত্বপূর্ণ না । খুবই সহজ কিছু কাজ যেগুলো করতে কোন স্কীল্ড প্রফেশনাল প্রয়োজন হয় না । এই রকম কাজগুলো বায়াররা কম টাকায় নতুনদেরকে দিয়ে করিয়ে নেয় । আর আপনারও কাজটি করে অভিজ্ঞতা অর্জন হয়ে গেল । ৩. আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কাজের স্যাম্পল । যে কোন বায়ার আপনাকে কাজ দেয়ার আগে আপনার কাজের স্যম্পল বা পোর্টফোলিও দেখতে চাইবে । কোন বায়ারই স্যাম্পল না দেখে, কোয়ালিটির ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে কাজ দিতে চায় না । তাই আপনাকে কাজে এপ্লাই করার আগে স্যাম্পল তৈরী করতে হবে । কাজটি ভালভাবে শিখার পর যে কোন একটি কাল্পনিক কোম্পানীর জন্য বেশ কিছু কাজ করে রাখুন । ইন্টারভিউর সময় এই স্যাম্পলগুলো দেখালে নিশ্চিতভাবে কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই ভাল বেতনে চাকরী হবে । তবে স্যাম্পলগুলো অবশ্যই ভাল হতে হবে । তাই খুবভালভাবে কাজটি শেখার পরই স্যাম্পল তৈরী করুন । ৪. বায়ার যদি দেখে যে আপনার অভিজ্ঞতা নাই তখন সে আপনার সাথে চ্যাট করে বুঝার চেষ্টা করে ”কলসি খালি না ভর্তি” । তাই পরিপূর্ণভাবে ভাবে কলসি ভর্তি করেই কাজ এপ্লাই করুন । বায়ার যখন দেখবে যে এই ব্যাপারে আপনার পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে তখন অভিজ্ঞতা না থাকলেও হায়ার করে । তবে প্রথম কিছুদিন সেলারী একটু কম দিতে পারে । ৫. প্রথম একমাস সেলালীর জন্য কাজ না করে শুধুমাত্র ভাল রিভিউর জন্য কাজ করুন । ৪/৫ টি ভাল রিভিউ পেলে পরবর্তি বায়াররা আপনাকে বিশেষ সম্মান ও গুরুত্ব দিয়ে চ্যাট করবে । কাজ পাওয়াটা অনেক সহজ হয়ে যাবে । ৬. এইভাবে ১০/১২ টি কাজ সম্পন্ন করলে এবং বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ভাল রিভিউ থাকলে একটি মজার বিষয় ঘটে । বায়াররা কোন ইন্টারভিউ ছাড়াই সরাসরি হায়ার করে চলে যায় । প্রোফাইলে অন্য বায়ারদের রিভিউ দেখেই বায়ার নিশ্চিন্ত হয় যে এই ফ্রিল্যান্সারেকে যাচাই করার কিছু নেই , তাই কোন কথাবার্তা ছাড়াই কাজের ইন্সট্রকশন ও প্রয়োজনীয় রিসোর্স দিয়ে হায়ার করে চলে যায় । সে নিশ্চিত যে আপনি ভালভাবে কাজ করবেন । কারণ আপনি কখনোই চাইবেন না আপনার অনেক পরিশ্রমের ফসল এই প্রোফালে কোন ব্যাড কমেন্ট পড়ুক । ৭. এইভাবে যখন ৩০/৪০ টি কাজ কম্পিলিট করবেন তখন অনেক বায়ার আপনাকে তার কোম্পানীতে স্থায়ীভাবে কাজ করার জন্য ইনভাইটা করবে । স্থায়ী চাকরীতে মিমিমাম বেতন ১২০০ ডলার । যেটা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় এক লক্ষ টাকার কাছাকাছি । ওদের জন্য খুবই কম বেতন কিন্তু আমাদের জন্য অনেক বেশী । এটাই হল আসল ফ্রিল্যান্সিং । কিন্তু আপনি এই রকম চাকরী করতে পারবেন একটি বা দুইটি । মনযোগ দিয়ে করতে থাকুন । ৮. এইভাবে যখন বেশ কয়েক মাস কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জিত হলে আপনি অনেকগুলো কোম্পানীর কাজ নিয়ে আপনার অধীনে কয়েকজন লোক নিয়োগ দিয়ে কাজ করাতে পারবেন । কোন কর্মিকে দশ হাজার টাকা বেতন দিয়ে এক লাখ টাকার কাজ করিয়ে নিতে পারবেন । আপনার কাজ হল শুধুমাত্র বায়ারের সাথে ডিল করা । কাজ নেয়া আর জমা দেয়া । কাজ করবে আপনার কর্মি । তবে কাজের ক্রিটিক্যাল বিষয়গুলো তারা করতে পারবে না অবশ্যই আপনাকেই করতে হবে । বায়ার দেখবে তার কাজটা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা । সম্পূর্ণ কাজ আপনি নিজে করছেন নাকি অন্য কাউকে ‍দিয়ে বেশীরভাগ অংশ করিয়ে নিচেছন তাতে তার কিছুই যায় আসে না । সে ভাল কাজ পেলেই খুশি । আপনারা পেপারে বা টিভিতে যাদেরকে দেখেন প্রতি মাসে ৫/১০ লাখ টাকা ইনকাম করে তারা কেউ নিজের হাতে কাজ করে না , কাজ করায় । তবে সেই পজিশনে লিফটে করে যাওয়া যাবে না, ধীরে ধীরে সিড়ি দিয়ে উঠতে হবে । ধন্যবাদ । সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে এই লিংকটি ফলো করুন: http://www.outsourcinghelp.net/course/
শুধুমাত্র মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরী করলেই ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায় না । কোন কাজ না শিখে শুধুমাত্র ফাইভার এবং আপওয়ার্কে একাউন্ট তৈরী করে লাখ লাখ মানুষ । তারা হাজারবার এপ্লাই করলেও কাজ পাবে না কারণ বায়াররা এত বোকা না । --------------------------------------------- ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে ভালভাবে প্রফেশনাল লেভেলে কাজ শিখতে হবে । যারা এক্সপার্ট লেভেলে কাজ করতে পারে তাদের কখনো কাজের অভাব হয় না, তাদের ইনকাম কখনো কমে না । কাজ না জানা একজন মানুষ কখনো কাজ জানা ফ্রিল্যান্সারের কম্পিটিটর হতে পারে না । মনে করুন বাংলাদেশে হঠাৎ ডাক্তার বেড়ে গেল । লাখ লাখ হাতুড়ে ডাক্তার তৈরী হল । এখন আপনি কি করবেন ৫০ টাকা ভিজিট দিয়ে নামমাত্র ডাক্তারের কাছে যাবেন নাকি ৫০০ টাকা দিয়ে বড় ডাক্তারের কাছে যাবেন ? বুঝতেই পারছেন লাখ লাখ নামমাত্র বা কাজ না জানা প্রফেশনাল কখনো দক্ষ প্রফেশনালের সমকক্ষ হতে পারে না । মানুষ অনেক বেশী টাকা দিয়ে প্রয়োজনে অনেকদিন অপেক্ষা করে, অনেক কষ্ট স্বীকার করে স্কীল্ড প্রফেশনালদের কাছেই যায় । শুধু ডাক্তারী নয় যে কোন পেশার ক্ষেত্রেই এটা প্রযোয্য । সিদ্ধান্ত : ভালভাবে কাজ শিখলে কাজের কখনো অভাব হয় না আর স্কীলড না হয়ে সারাজীবন এপ্লাই করলেও লাভ হবে না । --------------------------------------------------------- আচ্ছা এখন কথা হল যদি এমন হয় যে মানুষ চাকরী-বাকরী বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং এ দক্ষ হওয়ার জন্য কাজ শিখছে এবং লাখ লাখ দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরী হয়ে গেল , তখন তো এই দক্ষ ফ্রিল্যান্সার রা তো একে অন্যের কম্পিটিটর হয়ে যাবে । তখন ? উত্তর: ফ্রিল্যান্সিং এর বাজার জ্যামিতিক হারে বড় হচ্ছে । অনলাইনে রিমোট কাজ করার সুবিধা বুঝতে পেরে সারা বিশ্ব থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার কোম্পানী ফ্রিল্যান্সিং এ যুক্ত হচ্ছে এবং সরাসরি জবের পরিবর্তে অনলাইনে কাজ করাচ্ছে । এতে যে পরিমাণ চাকরীর বাড়ছে সেই পরিমাণ দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরী হচ্ছে না । যদি ১০ টা নতুন পোষ্ট তৈরী হয় সেই পোষ্টে কাজ করার দক্ষতা সম্পন্ন লোক পাওয়া যায় বড়জোর একজন । সমগ্র বিশ্ব ব্যবস্থা, সারা বিশ্বের ব্যবসা-বানিজ্য সবকিছু অনলাইন ভিত্তিক হয়ে যাচ্ছে খুব দ্রূত । একটি কোম্পানী অনলাইনে যুক্ত হলেই কয়েকশত অপরচুনিটি তৈরী হয় এক দিনেই । কিন্তু একজন প্রফেশনাল দিনে-দিনে তৈরী হয় না । মাসের পর মাস সাধনা করতে হয় । -------------------------------------------------------- আরো মজার বিষয় হল সারা বিশ্বের প্রায় ২০০ টি দেশ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ দেয় আর কাজ করে মাত্র ৪ টি দেশের মানুষ কাজ করে । ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্থান এবং ফিলিফাইন । সুতরাং সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষও যদি ফ্রিল্যান্সিং করে কেউ কারো কম্পিটিটর হবে না এবং কারো ইনকাম কমবে না । তার বাস্তব প্রমাণ হলে - ১০ বছর আগে যখন ফ্রিল্যান্সার কম ছিল তথন আপওয়ার্কে ঘন্ট প্রতি মিনিমাম বেতন ছিল মাত্র ১ ডলার, কিন্তু এখন ঘন্টাপ্রতি মিনিমাম ৩ ডলার । এবং দিনে দিনে বেতন বাড়ছে বা কোম্পানীগুলো বেতন বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে । তার মানে এই ১০ বছরে ফ্রিল্যান্সার যতজন বেড়েছে কাজের সংখ্যা বেড়েছে তার দশগুণ । সম্পূর্ণ ফ্রি’তে প্রফেশনাল লেভেলে ফ্রিল্যান্সিং শিখুন এখান থেকে : http://www.outsourcinghelp.net/course/

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...