Skip to main content

জীবনের প্রায়োরিটি নির্ধারণ


 ১. আমাদের জীবনের প্রায়োরিটি নির্ধারণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি কোন জিনিসটা চাই এবং কেন চাই - এটা সুস্পষ্ট ভাবে জানা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

২. পেশার ক্ষেত্রে বা পরিবারের ক্ষেত্রে কখনোই নিজেকে ফিফটি-ফিফটি ভাগ করা যায় না, হোক তার সময়ের ভাগ বা গুরুত্বের। কখনো যেমন পেশা ক্ষেত্রে আপনাকে ১০০% দিতে হবে, তেমনি কখনো বা পরিবারকে দিতে হবে শতভাগ। ৩. কর্মক্ষেত্র এবং বাসায়, সব কাজ কখনোই নিজে করতে যাবেন না। পছন্দ না হলেও, কিছু কাজ অন্যের উপর ছেড়ে দিন। ৪. উভয় ক্ষেত্রেই চাহিদা বাস্তব রাখুন। আপনার সব কাজ সবসময় পারফেক্ট হবে না, এটি মেনে নিন। কারণ একজন মানুষের পক্ষে কখনই নিখুঁতভাবে সবদিক মেইনটেইন করা সম্ভব নয়! তাই, নিজেকে দোষ না দিয়ে চেষ্টা করুন আবার আগের গতিপথে ফেরত আসতে। ৫. অবশ্যই বাসায় এবং কর্মক্ষেত্রের যত কাজের চাপে থাকুক না কেন, প্রতিদিন নিজেকে একটি কোয়ালিটি সময় দিন। এটি উভয় ক্ষেত্রেই আপনার কাজের গুণগত মান বাড়াবে। ৬. চেষ্টা করুন বর্তমান মূহুর্তে মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে। অর্থাৎ, পেশার কাজ সম্ভব হলে কর্মক্ষেত্রে শেষ করতে, এবং বাড়ির স্ট্রেসের প্রভাব পেশায় পড়তে না দিতে। ৭. কখনোই অন্য কারো সফলতার সাথে নিজেকে তুলনা করবেন না। প্রত্যেকের সমস্যা ও চলার পথ ভিন্ন, তাই সফলতার সংজ্ঞাও ভিন্ন। নির্দিষ্ট সময়ে আপনার জীবনে তা আসবে, যা আপনার জন্য লিখিত আছে। ৮. কাজ ও পরিবারের মাঝে বাউন্ডারি সেট করুন। প্রয়োজনে 'না' বলুন। ৯. আপনার সমস্যা পরিবারের সাথে এবং কাছের কলিগদের সাথে শেয়ার করুন। ১০. প্রয়োজনে আপনার সমস্যাগুলো নিয়ে একজন প্রফেশনাল ব্যক্তির সাথে কথা বলুন।
source-lifespring limited

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...